If you're seeing this message, it means we're having trouble loading external resources on our website.

তোমার যদি কোন ওয়েব ফিল্টার দেওয়া থাকে, তাহলে দয়া করে নিশ্চিত কর যে *.kastatic.org এবং *.kasandbox.org ডোমেইনগুলো উন্মুক্ত।

মূল বিষয়বস্তু
বর্তমান সময়:0:00পুরো সময়কাল:7:20

ভিডিও ট্রান্সক্রিপ্ট

## আগামী ও গ্রামীণফোন এর সহযোগিতায় অনূদিত ## কল্পনা কর, অ্যালিস ৫০,০০০ বছর আগে ভ্রমণ করে তার পূর্বপুরুষ ববকে খুঁজতে গিয়েছে। এখন এই সময় পর্যন্ত, মানব সভ্যতা অপেক্ষাকৃত সহজ-সরল ছিল, তারা আদিম যুগে পাথরের সরঞ্জাম ব্যবহার করতো যার প্রচলন হাজার হাজার বছর ধরে অপরিবর্তিত ছিল। কিন্তু প্রায় ৫০,০০০ বছর আগে একটি অসাধারণ পরিবর্তন আসে। কিন্তু কেউ নিশ্চিত নয় যে, এটি কেন হয়েছিল। আকস্মিকভাবে বৈচিত্র্যময় সংস্কৃতির আবির্ভাব ঘটে যার মধ্যে হস্তশিল্প, সঙ্গীত যন্ত্র নতুন প্রয়োজনীয় উপকরণ তৈরি এবং অন্যান্য সৃজনশীলতার অভিব্যক্তি ছিল। (গান এবং তালি) মানুষ তাদের অন্তর্নিহিত চিন্তা বহিঃপ্রকাশের ক্ষমতা আয়ত্ত করেছিল। তারা ভাষা ব্যবহার করে যোগাযোগ করা শুরু করে। অ্যালিস পানি খোঁজার মাধ্যমে তার অনুসন্ধান শুরু করে। সে জানে যে মানুষ এবং অন্যান্য প্রাণী নদীর আশেপাশে বসতি গড়ে তোলে যা আসলে বাস্তুতন্ত্রের মূল জীবনশক্তি। অবশেষে সে খুঁজে পায় একটি আকর্ষণীয় চিহ্ন, ববের হাতের ছাপ। তবে এই ছাপে খুব সামান্য তথ্য রয়েছে। অর্থাৎ বব এখানে ছিল এবং সম্ভবত ফিরে আসতে পারে। অ্যালিস জানে বব বুদ্ধিমান। সে ভাষায় যোগাযোগ করতে পারে। যদিও এখনও তার সংস্কৃতিতে পড়া বা লেখার ক্ষমতা গড়ে ওঠেনি। এই সময়ে, সার্বজনীন লিখিত ভাষা ছিল ছবি আঁকা। তো অ্যালিস চারপাশের প্রাকৃতিক উপকরণ ব্যবহার করে একটি ছবি আঁকে, যদি বব ফিরে আসে সেজন্য। সে যে প্রাণীর গতিবিধি অনুসরণ করছিল সেটির ছবি আঁকছে, এই প্রত্যাশায় যে এটি তার ভ্রমণের দিক নির্দেশ করবে। আমাদের পূর্বপুরুষরা প্রাকৃতিক উপকরণ ব্যবহার করে তাদের বাস্তবতাকে চিত্রে উপস্থাপন করতেন। এটি একটি আসল গুহার ছবি যা প্রায় ৩০,০০০ বছর আগের এটি ফ্রান্সের চাভুয়েট গুহায় সংরক্ষিত রয়েছে। স্পেনের গুহাতেও একই ধরনের ছবি পাওয়া যায়। এই প্রাচীন ছবিগুলোর একটি সাধারণ বিষয় হল এগুলো প্রাণীর আকৃতি অথবা মানুষের হাতের ছবি। সম্ভবত এটি একটি স্বাক্ষর, একটি গল্প, অথবা কোন অনুষ্ঠানের আহ্বান। যখন বব জলপ্রপাতের কাছে ফিরে গেল সে তার আঁকা ছবিটি পেলো এবং এগিয়ে গেলো নদীর দিকে এটি মনে করে যে সেখানে অ্যালিস আছে। কিন্তু সেখানে গিয়ে তাকে খুঁজে পাওয়া গেল না, যদিও সে ছবি দেখে বুঝেছে যে সে এখানে এসেছিল। সেও একটি ছবি আঁকার চিন্তা করে যা তার পরবর্তী অবস্থান বর্ণনা করবে, যা হল নদীর অর্ধেক পথ পার হয়ে সূর্যাস্তের দিকে। তার ছবি আঁকার জন্য অল্প সময় আছে যেহেতু রাত হয়ে যাচ্ছে। এজন্য, তাকে বার্তা পাঠানোর জন্য খুব দ্রুত চিন্তা করতে হবে। সে এটি সম্পর্কে কিছু সময় চিন্তা করলো এবং বুঝতে পারলো তার বার্তায় শুধুমাত্র তিনটি স্বতন্ত্র বস্তু রয়েছে, অর্ধেক পথ, নদী, পশ্চিম। তাই সে সরলীকৃত ছবি ব্যবহার করার সিদ্ধান্ত নিল এগুলো প্রকাশ করার জন্য। নদীর ক্ষেত্রে, সে একটি প্রতীক আঁকে যা তার প্রাকৃতিক আকৃতি বর্ণনা করে, যা চিত্রলিপি নামে পরিচিত, যা হল একটি আঁকা ছবি যা কোন বাহ্যিক বস্তুকে প্রকাশ করে। চিত্রলিপি লেখার বিবর্তনের ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। এখানে একটি আনুষ্ঠানিক পাথর খণ্ড আছে যা খ্রিষ্টপূর্ব ৩,০০০ সালের আগের এবং এটি মিশরে পাওয়া গেছে। ছবি দেখে বোঝা যায় যে সভ্য মানুষ এবং বন্য ও হিংস্র প্রাণীদের মধ্যে লড়াই ছিল। যাই হোক, ছবি দ্বারা বিমূর্ত ধারনাগুলো প্রকাশ করা কঠিন ছিল যেমন শান্ত, পুরাতন, বিপজ্জনক বা ববের ক্ষেত্রে, অর্ধেক পথ। এজন্য, সে একটি বক্সের মাঝখানে সরল রেখা আঁকে যা দ্বারা অর্ধেক পথ বোঝায়। এটিকে ধারকলিপি বলা হয়, অথবা কোন বিমূর্ত ধারনার কাল্পনিক ছবি। এখানে এই একই রকম চিহ্ন প্রাচীন চায়নার ব্রোঞ্জ শিলালিপিতে দেখা যায়। পশ্চিম দিক বোঝানোর জন্য সে সূর্যাস্তের একটি ছবি আঁকার চিন্তা করে। এখন সে মজার একটি কাজ করে। সে এই পৃথক প্রতীকগুলো সম্মিলিত করে অর্থবহ বার্তা তৈরি করার চেষ্টা করে, অর্থ যোগ অর্থ সমান নতুন অর্থ। অ্যালিস যেন এটি খুঁজে পায় এই প্রত্যাশায় সে চলে যায়। প্রাচীনতম নৃতাত্ত্বিক এবং হস্তনির্মিত এই সকল বিষয় ও চিহ্নসমূহ প্রাচীন মেসোপটেমিয়াতে প্রকাশিত হয়। এখন আধুনিক ইরাক, সুমেরীয়দের বাড়ি। এটিই ছিল বিশ্বের প্রাচীনতম সভ্যতার জন্মস্থান। এখানে আমরা কাদামাটির হিসাব রক্ষণ ট্যাবলেট খুঁজে পাই যা খুঁজে পাওয়া সবচেয়ে প্রাচীন লিখিত নথি, যা খ্রিষ্টপূর্ব ৩,০০০ সালেরও আগের। এই আয়তাকার ট্যাবলেটে গরু দ্বারা অর্থ প্রদান, গরু চালান করা থেকে মেষপালকদের মোটাতাজাকরণ, এবং উপহার হিসেবে গরু দেওয়ার হিসাব রাখা আছে। লক্ষ্য কর যে ১০ টি ভেড়ার ছবি আঁকার পরিবর্তে, তারা সংখ্যা প্রকাশ করার জন্য ১০ টি ছোট খাঁজ আঁকে এবং আরেকটি প্রতীক এঁকে ভেড়া বা গাধার প্রকাশ করে, যার অর্থ, ১০ টি ভেড়া। আমরা এটিকে প্রোটো-লেখা বলে থাকি। অবশেষে, নদীর প্রান্তে ফিরে এসে ববের বার্তা খুঁজে পেল। সে অর্থ সঠিকভাবে বুঝতে পারলো, নদীর অর্ধেক পথ পশ্চিমে। তাই সে নদীর পথ বেয়ে চলতে থাকলো সূর্যাস্তের দিকে, এবং শেষ পর্যন্ত তারা একত্রিত হল। সময়ের সাথে সাথে, বব অ্যালিসের ভাষায় কথা বলা শেখে, এবং একই ভাষা ব্যবহার করে তারা একে অপরের সাথে বিভিন্ন চিন্তা এবং ধারণা প্রকাশ করে। এই বিষয়টি তাদের একটি শক্তিশালী, লিখিত ভাষা সম্পর্কে ধারণা প্রদান করে। এটি খুব সহজ কিছু দিয়ে শুরু হয়, যেমন নাম লেখা। সে ছবি থেকে লেখা অনুযায়ী শব্দ উচ্চারণ করে থাকে। তার নাম অ্যালিস, অ্যালিস, অ্যালিস। সে অল (সকল কিছু) বোঝানোর গাণিতিক চিহ্ন এবং বরফের (আইস) ছবি ব্যবহার করে। অল আইস (সকল বরফ)। অ্যালিস। লক্ষ্য কর প্রতীকের সাথে তার নামের কোন সম্পর্ক নেই। শব্দ যোগ শব্দ সমান নতুন অর্থ। এটি রেবাস তত্ত্ব হিসাবে পরিচিত। এটির একটি ভালো উদাহরণ মিশরের নীল নদ বরাবর খুঁজে পাওয়া যায়। খ্রিষ্টপূর্ব প্রায় ৩,১০০ সাল আগে, এখানে কিছু প্রাচীন যুগের হাইরোগ্লিফিক (মিশরীয় লিপি) পাওয়া যায়। নারমার প্যালেটে মিশরের ফারাও, নারমারের বিষয় রয়েছে। পিছনের দিকে তাকে বামে দেখা যায় একটি হাঁটু গেড়ে বসা কয়েদির পাশে যে নারমারের দ্বারা আঘাত প্রাপ্ত হবে, সে লম্বাভাবে দাঁড়িয়ে আছে, একটি মুকুট পড়ে। আমরা আসলে ওপর পাশের বিষয়টি খুঁজছি। উপরের দুই গবাদি পশুর মাথার মাঝখানে আমরা তার নামের লিপি দেখতে পাই। এটি একটি মাছ এবং একটি বাটালি হিসাবে লেখা, যার অনুবাদ হয় নার মার। নারমার। ছবি থেকে আলাদা দুটি শব্দ একসঙ্গে, নতুন অর্থ তৈরি করে, এটি লিখিত ভাষার ইতিহাসের একটি গুরুত্বপূর্ণ উন্নয়ন। কিন্তু তারা আসলে বর্ণমালা সম্পর্কে জানার আগে, অন্য কিছু ঘটেছিল। তাদের সময় বাঁচানো প্রয়োজন ছিল। ## আগামী ও গ্রামীণফোন এর সহযোগিতায় অনূদিত ##