বর্তমান সময়:0:00পুরো সময়কাল:5:54
0 শক্তি পয়েন্ট
ভিডিও ট্রান্সক্রিপ্ট
## আগামী ও গ্রামীণফোন এর সহযোগিতায় অনূদিত ## এটা অনেকটা স্পষ্ট হয়ে উঠে যে যোগাযোগ মাধ্যমের ক্ষমতা বৃদ্ধির আরও উপায় আছে আমরা বিভিন্ন সংকেতের সংখ্যা বাড়াতে পারি উদাহরণস্বরূপ, এলিস এবং বব এর তারের যোগাযোগ ব্যবস্থায় তারা দেখতে পেল তার টানার পার্থক্যের উপর ভিত্তি করে আরও দ্রুত বার্তা পাঠানো সম্ভব যেমন জোরে, মাঝারি এবং আস্তে টানা বা উচ্চস্বরে এবং নিম্নস্বরে টানার জন্য তারকে বিভিন্ন পরিমানে আঁটসাঁট করা আর এই ধারণাটি ছিল টমাস আলভা এডিসনের যেটা তিনি মোর্স কোড পদ্ধতিতে প্রয়োগ করেন এখানে ধারণাটি ছিল যে দুর্বল ও শক্তিশালী ব্যাটারি ব্যবহার করে বিভিন্ন শক্তির সংকেত তৈরি করা যেত তিনিও গাউস এবং ওয়েবারের মত দুই ধরনের সংকেত ব্যবহার করেন অগ্রমুখী ও বিপরীতমুখী তড়িতের জন্য এবং সাথে দুই ধরনের তীব্রতা এতে করে তিনি পান +৩ ভোল্ট, +১ ভোল্ট, -১ ভোল্ট, এবং -৩ ভোল্ট চারটি ভিন্ন তড়িৎ সংকেত যা আদান প্রদান করা যেত এর ফলে ওয়েস্টার্ন ইউনিয়নের প্রচুর টাকা বেঁচে যায় কারন প্রতিষ্ঠানটি বার্তা পাঠানোর সংখ্যা কয়েক গুন বেরে যায় কোন নতুন তার সংযোজন ছাড়াই এটি কোয়াড্রুপ্লেক্স টেলিগ্রাফ হিসাবে পরিচিত হয় এবং এটা বিংশ শতাব্দীতেও ব্যবহার হয়ে আসছে কিন্তু আবারো, যখন আমরা বিভিন্ন সংকেতের সংখ্যা বৃদ্ধি করি আমরা আরেকটি সমসসার মুখমুখি হই উদাহরণস্বরূপ, কেন না হাজার বা লাখ খানেক মাত্রায় ভোল্টেজ পাঠাই একটি স্পন্দনে যেমনটা তুমি ধারনা করছিলে, সূক্ষ্মাতিসূক্ষ্ম পার্থক্যের কারনে গ্রাহক প্রান্তে অসুবিধার সৃষ্টি হয় এবং বৈদ্যুতিক ব্যবস্থায় এই পার্থক্যগুলোর বিশ্লেষণ সবসময় বৈদ্যুতিক গোলমাল দ্বারা সীমাবদ্ধ যদি আমরা কোন বৈদ্যুতিক তারের সাথে কোন নিরীক্ষণ যন্ত্র সংযুক্ত করি এবং যথেষ্ট পরিমান বড় করে দেখি আমরা সবসময়ই সুক্ষ অবাঞ্ছিত তড়িৎ প্রবাহ পাব এটা বিভিন্ন প্রাকৃতিক প্রক্রিয়ার অনিবার্য ফলাফল যেমন তাপ বা ভূচৌম্বকীয় ঝড় এমনকি বিগ ব্যাং এর প্রচ্ছন্ন প্রভাব হতে পারে একারনেই বিভিন্ন সংকেতের মদ্ধে পার্থক্য যথেষ্ট পরিমান বড় হতে হবে যাতে কোন গোলমাল এর জন্য এক ধরণের সংকেত অন্য সংকেতে পরিবর্তিত হয়ে না যায় এখন আমদের একধাপ পিছনে যেতে হবে এবং যোগাযোগ ব্যবস্থার ধারনক্ষমতা নির্ধারণ করে দিতে হবে যার জন্য দুটি খুব সহজ ধারণা ব্যবহার করা যায় প্রথমত, প্রতি সেকেন্ডে কয়টি সংকেত পাঠানো যায়? যাকে বলা হয় সংকেতের হার আর এখন এটা বড হিসাবে পরিচিত যেটা এসেছে এমিল বডট থেকে আমরা এটাকে n দিয়ে প্রকাশ করতে পারি যেখানে এটা প্রতি সেকেন্ডে n টি সংকেত স্থানান্তরিত হয় আর দ্বিতীয়ত, প্রতিটি সংকেতের মধ্যে কতগুলো পার্থক্য থাকবে যা আমরা সংকেত স্থান হিসাবে মনে করতে পারি প্রতিটি বিন্দুতে কতগুলো সংকেত থেকে নির্বাচন করা সম্ভব? আর আমরা বলতে পারি s আর আমরা আগেও দেখেছি, এই স্থিতিমাপগুলোকে সম্ভাবনার সিদ্ধান্ত সারণি হিসেবে ভাবা যায় কারণ প্রতিটি সংকেত হবে একটি সিদ্ধান্ত যেখানে শাখার সংখ্যা পার্থক্য সংখ্যার উপর নির্ভর করে. এবং n সংকেত পর আমরা একটি সারণি পাব যার s এর ঘাত n পরিমান শাখা থাকবে আর এই সারণির প্রত্যেকটি পথ একটি আলাদা বার্তা উপস্থাপন করে আমরা শাখার সংখ্যাকে মনে করতে পারি বার্তার সংখ্যা পরিমান হিসেবে এই দৃশ্য কল্পনা করা সহজ বার্তার সংখ্যা পরিমান হবে সারণির সর্বনিম্ন শাখার পরিমান আর এটা থেকে বোঝা যায় যে 'n' সংখ্যক সংকেত ব্যবহার করে কি পরিমান বার্তা পাঠানো সম্ভব উদাহরণস্বরূপ, মনে করি এলিস ববকে একটি বার্তা পাঠায় দুই ধরনের সংকেত ব্যবহার করে এবং তারা একটি জোরে টানা ও একটি আস্তে টানা ব্যবহার করছে তাদের যোগাযোগ ব্যবস্থার জন্য এর মানে হল সে ববের কাছে চারটি সম্ভাব্য বার্তার যেকোনোটি পাঠাতে পারে আর যদি এর পরিবর্তে তারা এমন পদ্ধতি ব্যবহার করত যেখানে জোরে, মাঝারি ও আস্তে টানা আছে তাহলে দুটি সংকেত দিয়ে সে ৩ এর ঘাত ২ বা ৯টি সম্ভাব্য বার্তার যেকোনোটি পাঠাতে পারত আর তিনটি সংকেত দিয়ে এটা হত ২৭ টি বার্তার যেকোনোটি এখন যদি এর পরিবর্তে, এলিস এবং বব ক্লাসে লিখিত নোট বিনিময় করত যেখানে এক টুকরো কাগজে দুটি অক্ষর থাকবে তাহলে একটি নোটে ২৬ এর ঘাত ২ বা ৬৭৬টি সম্ভাব্য বার্তার যেকোনোটি থাকত এটা এখন উপলব্ধি করা জরুরী যে আমাদের জানার দরকার নেই যে এই সারিবদ্ধ পার্থক্যগুলোর মানে কি কেবল কতগুলো ভিন্ন ভিন্ন বার্তা সম্ভব এগুলো বোঝাতে পারে সংখ্যা, নাম, অনুভূতি, গান, অথবা সম্ভবত এমনকি কিছু পরক বর্ণমালা যা আমরা কখনোই বুঝতে পারব না এখন যখন আমরা একটি যোগাযোগ ব্যবস্থার দিকে তাকাই আমরা চিন্তা করি এর সক্ষমতা কতটুকু আমরা কি পরিমান ভিন্ন ভিন্ন জিনিস বলতে পারি এবং আমরা তখন বার্তার সংখ্যা পরিমান ব্যবহার করে বলতে পারি কোন অবস্থায় কি পরিমান পার্থক্য সম্ভব আর এই সাধারন কিন্তু মার্জিত ধারণাই সেই ভিত্তি তৈরি করে ভবিষ্যতে কিভাবে তথ্যকে সংজ্ঞায়িত করা হবে আর এই চূড়ান্ত পদক্ষেপ আমাদের এনে দিয়েছে আধুনিক তথ্য তত্ত্ব আর এর উৎপত্তি বিংশ শতাব্দীর প্রথম দিকে ## আগামী ও গ্রামীণফোন এর সহযোগিতায় অনূদিত ##