বর্তমান সময়:0:00পুরো সময়কাল:4:45
0 শক্তি পয়েন্ট
ভিডিও ট্রান্সক্রিপ্ট
এমন কোন পদ্ধতি আছে কি যা দিয়ে আমরা যেকোন মানুষ, পশুপাখি কিংবা ভিনগ্রহের প্রাণির যোগাযোগ মাধ্যমের তথ্য পরিমাপ করা সম্ভব! ঊনবিংশ শতাব্দীর দিকে তাকালে আমরা দেখব যে, তখনো আমরা গতি নিয়েই বেশি মাথা ঘামাতাম। (পিয়ানোর সুর) আর কোন যোগাযোগ মাধ্যমের গতিবৃদ্ধি লক্ষ্যে একটা যন্ত্রের ডিজাইন করতে হবে যার দ্বারা সেই যন্ত্রে বিভিন্ন বর্ণ নিবেশ করা যায়, যে বর্ণগুলোকে বলা হয় প্রাথমিক প্রতীক এবং এই প্রতীকগুলোকে যন্ত্রে স্বয়ংক্রিয়ভাবে নিচু স্তরের সংকেতকে ফলাফলে রূপান্তরিত করে, যেমন বৈদ্যুতিক অনুরণন, আমরা যাকে বলি মাধ্যমিক সংকেত। এই যন্ত্রগুলো নির্দিষ্ট ক্লক সোর্সের মাধ্যমে নিয়ন্ত্রিত হয় যাতে মেশিনগুলো খুবই সূক্ষ এবং দ্রুত অনুরণন প্রবাহ তৈরি করতে পারে, এই অনুরণন প্রবাহ মানুষের হাতের থেকে নিঃসন্দেহে দ্রুততর হবে। বাডট মাল্টিপ্লেক্স সিস্টেম এই প্রক্রিয়ার একটা উৎকৃষ্ট উদাহরণ। এই নকশা প্রথম ব্যবহার করা শুরু হয় ১৮৭৪ সাল থেকে। শাটার টেলিগ্রাফ তৈরির তত্ত্ব অনুযায়ী এই যন্ত্র তৈরি হয়। এই মেশিনে ৫টা চাবি থাকত যেগুলো ঘুরিয়ে ঘুরিয়ে যেকোন সমাবেশ তৈরি করা যায়। এটাকে এক ধরনের পিয়ানোর মত ভাবা যায়। প্রত্যেক সমাবেশে ৫টি সুর একটি বিশেষ বার্তা প্রকাশ করে তাতে সেটি অফ না অন থাকতে পারে, সেখানে ২ এর ঘাত ৫ বা ৩২ রকম কর্ড প্লে করা যায়। এই সংকেতলিপিতে প্রত্যেক বর্ণে ৩২টি আলাদা আলাদা ধরনের কর্ড আছে আর অব্যবহৃতগুলো নতুন লাইন, বিরতি ইত্যাদি কাজের জন্য ব্যবহার ব্যবহৃত হয়! তো অপারেটর প্রত্যেকটা বর্ণ চেপে দেখতেন এবং সেই যন্ত্রটি আপনা-আপনি বর্ণের অনুরণন প্রবাহ ফলাফল হিসেবে দিত। যেমন, T বর্ণের জন্য এভাবে। অথবা R বর্ণের জন্য এরকমভাবে। অথবা B বর্ণের জন্য এভাবে। তাহলে এখানে আমরা একটি ফলাফল পাচ্ছি যেখানে বিভিন্ন সমাবেশে ডিসি অনুরণন থাকে। এটি এমন একটি সংকেত যা পুঙ্খানুপুংখভাবে টেলিটাইপরাইটারে টাইপ করা বার্তাটি প্রকাশ করে। (টেলিগ্রামের শব্দ) দ্বিমাত্রিক কাউন্টার, পদ্ধতির যান্ত্রিক নার্ভ শব্দ থেকে ফিতায় য়ছিদ্র তৈরি করে, আর ছিদ্রগুলো বৈদ্যুতিক অনুরণনে পরিণত হয়, যা তারের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয়। (কমল সুর) একেবারে নিচের স্তর খেয়াল করলে, এই পদ্ধতিটি একটি ঘড়ি ব্যবহার করে তড়িৎ প্রবাহের উপস্থিতি বা অনুপস্থিতির বিষয়টি একটা ক্রমানুসারে আদান-প্রদান করছে। আচ্ছা, অভ্যন্তরীন ঘড়ি কত দ্রুত চলে জানো? ঘড়িটির গতি কিন্তু সীমিত নয়। তখন এবং এখন, হস্তান্তরের গতি সীমিত হওয়ার অন্যতম কারণ ছিল এই অনুরণন হারের মধ্যে অপর্যাপ্ত ব্যবধানের ঘাটতি । এই সমস্যার কারণে সে সকল ইঞ্জিনিয়াররা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছিল যারা মর্স কোড ব্যবহার করে মাটির নিচের কেবলের পরীক্ষা-নিরীক্ষা করছিলেন। ব্যাপারটা আসলে একটা প্রতিধ্বনির মতই। কেউ যদি অনেকগুলো বিন্দু খুব দ্রুত সমুদ্রের নিচ দিয়ে একটা সার্কিটে পাঠায় তাহলে অপরপ্রান্তে সেই তথ্যগুলো একসাথে পাওয়া যাবে। কারণ যে সংকেতটি আমরা সার্কিটের প্রান্তে গ্রহণ করছি সেটা মূল সংকেতের তুলনায় বেশি মসৃণ হবে, একেবারে সেটির প্রতিরূপ কিন্তু হবে না। আর খুব দ্রুত অনুরণন পাঠালে অভ্যন্তরীন সংকেত ব্যাতিচারে ফলাফল পাওয়া যাবে। এটা হয় যখন একটা দীর্ঘ বৈদ্যুতিক প্রবাহ প্রবাহ পরবর্তী ভাগে শোষিত হয় এবং হয়তো ০ থেকে ১ এ পরিবর্তিত হয়। তো আমরা যদি স্বয়ংক্রিয়ভাবে এই বৈদ্যুতিক স্তরগুলোকে খুঁজে বের করতে পারি, তাহলে দেখব যে, দুটো অনুরণনকে একসাথে রাখার একটা সীমা আছে। এমনই এক ধরনের সমস্যা বব আর এলিসও তাদের তারের মাধ্যমে যোগাযোগের ক্ষেত্রে সম্মুখীন হয়েছিল। ( পায়ের নিচে তুষারের শব্দ, ভারী নিশ্বাস) যেটাকে আমরা বলি নূন্যতম টান গতি। যদি তারা এক সেকেন্ডে ২ বারের বেশ তারে টান দেয়, তাহলে দুটি সংকেত ( সুতায় কম্পন) দ্রুত পৌঁছে বিভ্রান্তির সৃস্টি করে। (ধীর লয়ের সুর) তাহলে এটাকে বলা যেতে পারে প্রতীক হার। মনে রাখতে হবে, একটা প্রতীক হল বর্তমান অবস্থার একটা পর্যবেক্ষণলব্ধ সংকেত যা কিছু নির্দিষ্ট সময় ধরে উপস্থিত থাকে। সেখানে আগুন, শব্দ, তড়িত প্রবাহ যাই ব্যবহার করা হোক, একটা সংকেতের ঘটনা হল এক অবস্থা থেকে আরেক অবস্থায় পরিবর্তিত হওয়া। তাহলে প্রতীক হার হল সংকেতের ঘটনা সংখ্যা যা এক সেকেন্ডে সংকুচিত করে রাখা যায়। (মর্স কোড সংকেত)